এনভায়রনমেন্ট
Now Reading
যেমন হবে ১০০ বছর পরে পৃথিবীর অবস্থা

জলের তলায় বিস্তীর্ণ শহর, মাটির নীচে বিশাল বহুতল, 3D প্রিন্ট করা বাড়ি, ডাউনলোড করা খবর…কী ভাবছেন? হলিউডের কোনও স্পেশ্যাল এফেক্টের মুভির প্লট? না, রিল নয়, রিয়েল লাইফেই বাস্তব হতে চলেছে এমন স্বপ্নের দুনিয়া। এজন্য অপেক্ষা আর মাত্র এক শতাব্দীর।

একদল শিক্ষাবিদ ও ফিউচারোলজিস্টদের নিয়ে তৈরি স্যামসাঙ-এর স্মার্থ থিং ফিউচার লিভিং তাঁদের রিপোর্টে এমনটাই দাবি করেছে। ভবিষ্যত্‍‌ জীবনের উপর গবেষণা চালিয়ে সেখানে দাবি করা হয়েছে, ২১১৬ সালে মানুষ বসবাস করবে মাটির নীচে তৈরি ২৫ তলার বহুতলে। জলের তলায় তৈরি হবে শহর, বাড়ি হবে 3D প্রিন্টেড।

ফিউচার আর্কিটেক্ট, আর্বানিস্ট ও ওয়েস্টমিনস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক-সহ নামি-দামী শিক্ষাবিদদের বিশ্বাস, জলের তলায় তৈরি হবে ‘বাবল সিটি’। মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম হবে ব্যক্তিগত ড্রোন। গোটা বাড়িকে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুটি কাটানো যাবে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে।

রিপোর্টের অন্যতম লেখক তথা মহাকাশ বিজ্ঞানী ডঃ ম্যাগি অ্যাডেরিন পোকক জানিয়েছেন, ‘এক শতাব্দী আগের মানুষদের কাছে আমাদের জীবনটা একেবারে অচেনা ছিল। ইন্টারনেটের বিপ্লব সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে আমাদের জীবন। আগামী এক শতাব্দী পর আমরা ভূকম্পনজনিত পরিবর্তনের সাক্ষী থাকব। তার জেরে বদলাবে আমাদের জীবনশৈলীও।’

রিপোর্ট বলছে, শুধু বাড়ি বা আসবাবই নয়, ১০০ বছর পর নিমেষে মিলবে 3D প্রিন্টিং খাবারও। পছন্দের শেফের ডিশ ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিলেই কেল্লা ফতে…এক মিনিটেই রেডি টু ইট। আর প্রতিবেশী চাঁদ ও মঙ্গলে প্রতিনিয়ত চলবে বাণিজ্যিক বিমান।

নিচের বাটনগুলোর সাহায্যে খবরটি শেয়ার করুন