আইকন
Now Reading
জেফ বেজোস সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য

মাইক্রোসফটের বিল গেটসকে টপকে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হয়ে মাত্র একদিন টিকে ছিলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। ফোর্বস সাময়িকী জানায়, গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে অ্যামাজনের শেয়ারের দাম ২.৫ শতাংশ বাড়ার প্রভাবে বেজোসের মোট সম্পদমূল্য বিল গেটসকে ছাড়িয়ে যায়। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী বেজোসের মোট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৯১ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিল গেটসের চেয়ে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বেশি। কিন্তু এরপর অ্যামাজনের শেয়ারের দরপতনে মাইক্রোসফট কর্ণধার গেটস শীর্ষ স্থান পুনরুদ্ধার করেন বলে বিবিসি জানিয়েছে। গত মার্চে যখন ফোর্বস বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকা করে, তখন বিল গেটসের পরেই ছিল বেজোসের স্থান। তা উল্টে গিয়েও আবার পাল্টে গেল।

মাত্র একদিনের জন্য বিশ্বের শীর্ষ ধনী হলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা। জেফ বেজোসের যে সম্পদ, তাতে বিল গেটসের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, বিল গেটসকে হটিয়ে তিনিই হতে যাচ্ছেন পরবর্তী শীর্ষ ধনী। এবার জেনে নেওয়া যাক জেফ বেজোস সম্পর্কে মজার কিছু তথ্যঃ

 

  1. জেফ বেজসের প্রথম চাকরি ছিল ফিটেল নামের একটি স্টার্টআপ টেলিকম প্রতিষ্ঠানে। অ্যামাজন প্রতিষ্ঠার আগে তিনি এধরনের আরও কিছু চাকরি করেছিলেন।
  2. বেজোস জানিয়েছিলেন, বিশ্বের সেরা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের পরিকল্পনা তিনি নিউইয়র্ক থেকে সিয়াটলে গাড়ি চালানোর সময় করেছিলেন।
  3.  তিনি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন একদম পছন্দ করেন না। আর এজন্য তার প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন নিষিদ্ধ। এখানে কর্মীরা চার থেকে ছয় পৃষ্ঠার মেমো আকারে তাদের প্রপোজাল দেয়।
  4.  একদিনের জন্য ধনী হলেও জেফ বেজোস নিয়মিত সেরা ১০০ সিইও বা প্রধান নির্বাহী তালিকায় থাকেন।
  5.  বেজোস সবসময় ‘টু পিৎজা রুল’ অনুসরণ করেন। অর্থাৎ নিয়ম অনুযায়ী, একটি টিমে কেবল মাত্র দুটি পিৎজা শেষ করার জন্য যথেষ্ট সংখ্যক মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তিনি বিশ্বাস করেন ছোট টিম অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে।
  6. জেফ বেজোস বই পড়তে ভালোবাসেন এবং তিনি সবসময় তার কর্মীদের বই পড়তে উৎসাহিত করেন।
  7.  জেফ বেজোস স্পেস ভ্রমণে সবচেয়ে বেশি উৎসাহী। তিনি স্পেস স্টেশনে মানুষের জন্য কলোনি তৈরির কথাও বলেন।
  8.  ২০১৩ সালে জেফ বেজোস ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট কিনে নেন। তিনি বলেন, পত্রিকার সম্পাদকীয় নির্দেশনায় তিনি যুক্ত হবেন না।
  9.  ২০০৩ সালে বেজোস প্রায় তার জীবন হারাতে বসেছিলেন। একটি মারাত্মক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় তার মাথায় আঘাত পান। এবং ওই ঘটনার পর থেকে তিনি হেলিকপ্টার ব্যবহার প্রায় ছেড়েই দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ বিল গেটস বনাম স্টিভ জবস

নিচের বাটনগুলোর সাহায্যে খবরটি শেয়ার করুন